বহুবিবাহ নিয়ে নাস্তিকদের অবান্তর প্রশ্নের সমোচিত জবাব দিতে হবে: আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী | Qawmi News BD 24
কওমী নিউজ বিডি ২৪:
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, বিশ্বনবী সা.এর মুহাব্বাত ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ৷ রাসুল সা. লক্ষ-কোটি মুমিনের প্রাণের স্পন্দন৷ মুমিন মুসলমানগণ রাসুল সা. কে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসেন৷
রাসুল সা. এর ইজ্জত-সম্মানের উপর কোন আঘাত ঈমানদার সহ্য করতে পারে না৷ সরলমনা সাধারণ মুসলমানদেরকে ধোকা দেয়ার জন্য নাস্তিক মুরতাদরা রাসুল সা. এর বহু-বিবাহ সম্পর্কে নানান অবান্তর প্রশ্ন করে৷ নাস্তিকদের ভিত্তিহীন প্রশ্নের সমোচিত জবাব দিতে হবে৷
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেছেন, বিশ্বনবী সা.এর মুহাব্বাত ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ৷ রাসুল সা. লক্ষ-কোটি মুমিনের প্রাণের স্পন্দন৷ মুমিন মুসলমানগণ রাসুল সা. কে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসেন৷
রাসুল সা. এর ইজ্জত-সম্মানের উপর কোন আঘাত ঈমানদার সহ্য করতে পারে না৷ সরলমনা সাধারণ মুসলমানদেরকে ধোকা দেয়ার জন্য নাস্তিক মুরতাদরা রাসুল সা. এর বহু-বিবাহ সম্পর্কে নানান অবান্তর প্রশ্ন করে৷ নাস্তিকদের ভিত্তিহীন প্রশ্নের সমোচিত জবাব দিতে হবে৷
১৫ ই সেপ্টেম্বর শনিবার দারুল উলুম হাটহাজারী মাদরাসায় হাদীসের সর্বোচ্চ
কিতাব বোখারী শরীফের পাঠদানকালে "বহু-বিবাহ " অধ্যায়ের ৪৮৭৬ নং হাদীস
সম্পর্
কিত আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, রাসুল সা.এর বহু-বিবাহ জৈবিক চাহিদাপূরণ বা স্রেফ নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ছিল না। বরং দ্বীনের স্বার্থে ছিলো৷ দ্বীনের মহান স্বার্থেই রাসুল সা.বহু-বিবাহ করেছিলেন৷ রাসুলুল্লাহ সা.এর বহু-বিবাহের দরূন দ্বীন ইসলামের অনেক ফায়দা হয়েছে৷
হযরত খাদিজা রাদি. অনেক সম্পদের মালিক ছিলেন৷ রাসুল সা. এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর নিজের যাবতীয় ধন সম্পদ ইসলামের কল্যাণে খরচ করেছিলেন৷ যা ইসলামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে৷
নাস্তিক মুরতাদদের নিকট প্রশ্ন রেখে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, রাসুল সা.২৫ বছর বয়সে, ৪০ বৎসর বয়সি হযরত খাদিজা রাদি. কে বিবাহ করেছিলেন৷ যদি জৈবিক চাহিদা পূরণই রাসুল সা.এর উদ্যেশ্য হত তাহলে পঁচিশ বৎসরের টগবগে যুবক বয়সে রাসুল সা. কেন চল্লিশ বছরের একজন বয়স্কাকে বিবাহ করেছিলেন (???)
হযরত আয়েশা রাদি. ছাড়া রাসুল সা.এর প্রায় সমস্ত বিবিগণই বিধবা ছিলেন৷ জৈবিক চাহিদাপূরণ উদ্যেশ্য হলে রাসুল সা. বিবাহিতাদেরকে বিবাহ করতেন না বরং কুমারী মেয়ে বিবাহ করতেন৷
রাসুলুল্লাহ সা.এর বহু-বিবাহের দরূন ইসলামের অনেক ফায়দা হয়েছে৷ নারী সংক্রান্ত ইসলামের বিধি-বিধান উম্মতের অন্যান্য নারীদের নিকট পৌছে দেয়ার জন্য বহু-বিবাহের ভূমিকা দিবালোকের ন্যায় সু-স্পষ্ট৷
হযরত আবু সুফিয়ান রাদি. প্রথমে মুসলমান ছিলেন না৷ ইসলামের চরম দুষমন ছিলেন৷রাসুল সা.হযরত আবু সুফিয়ান রাদি.এর মেয়ে হযরত উম্মে হাবীবা রাদি.কে বিবাহের মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে চলমান হযরত আবু সুফিয়ানের যাবতীয় ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন৷ এবং মক্কা বিজয়ের পর হযরত আবু সুফিয়ান রাদি.ও কালিমা পড়ে ইসলামের সু-শীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে মুসলমান হয়েছেন৷
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, বহু-বিবাহের দরূন নাস্তিকরা রাসুল সা. কে নারীলোভী বলে কটাক্ষ করে বিশ্বমুসলিমের কলিজায় আঘাত করেছে৷ তাই সরলমনা সাধারণ মুসলমানদের ঈমান রক্ষার্থে বহু-বিবাহ নিয়ে নাস্তিকদের অবান্তর প্রশ্নাবলীর সমোচিত জবাব দিতে হবে৷
আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন, রাসুল সা.এর বহু-বিবাহ জৈবিক চাহিদাপূরণ বা স্রেফ নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ছিল না। বরং দ্বীনের স্বার্থে ছিলো৷ দ্বীনের মহান স্বার্থেই রাসুল সা.বহু-বিবাহ করেছিলেন৷ রাসুলুল্লাহ সা.এর বহু-বিবাহের দরূন দ্বীন ইসলামের অনেক ফায়দা হয়েছে৷
হযরত খাদিজা রাদি. অনেক সম্পদের মালিক ছিলেন৷ রাসুল সা. এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর নিজের যাবতীয় ধন সম্পদ ইসলামের কল্যাণে খরচ করেছিলেন৷ যা ইসলামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে৷
নাস্তিক মুরতাদদের নিকট প্রশ্ন রেখে আল্লামা বাবুনগরী বলেন, রাসুল সা.২৫ বছর বয়সে, ৪০ বৎসর বয়সি হযরত খাদিজা রাদি. কে বিবাহ করেছিলেন৷ যদি জৈবিক চাহিদা পূরণই রাসুল সা.এর উদ্যেশ্য হত তাহলে পঁচিশ বৎসরের টগবগে যুবক বয়সে রাসুল সা. কেন চল্লিশ বছরের একজন বয়স্কাকে বিবাহ করেছিলেন (???)
হযরত আয়েশা রাদি. ছাড়া রাসুল সা.এর প্রায় সমস্ত বিবিগণই বিধবা ছিলেন৷ জৈবিক চাহিদাপূরণ উদ্যেশ্য হলে রাসুল সা. বিবাহিতাদেরকে বিবাহ করতেন না বরং কুমারী মেয়ে বিবাহ করতেন৷
রাসুলুল্লাহ সা.এর বহু-বিবাহের দরূন ইসলামের অনেক ফায়দা হয়েছে৷ নারী সংক্রান্ত ইসলামের বিধি-বিধান উম্মতের অন্যান্য নারীদের নিকট পৌছে দেয়ার জন্য বহু-বিবাহের ভূমিকা দিবালোকের ন্যায় সু-স্পষ্ট৷
হযরত আবু সুফিয়ান রাদি. প্রথমে মুসলমান ছিলেন না৷ ইসলামের চরম দুষমন ছিলেন৷রাসুল সা.হযরত আবু সুফিয়ান রাদি.এর মেয়ে হযরত উম্মে হাবীবা রাদি.কে বিবাহের মাধ্যমে ইসলামের বিরুদ্ধে চলমান হযরত আবু সুফিয়ানের যাবতীয় ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন৷ এবং মক্কা বিজয়ের পর হযরত আবু সুফিয়ান রাদি.ও কালিমা পড়ে ইসলামের সু-শীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে মুসলমান হয়েছেন৷
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, বহু-বিবাহের দরূন নাস্তিকরা রাসুল সা. কে নারীলোভী বলে কটাক্ষ করে বিশ্বমুসলিমের কলিজায় আঘাত করেছে৷ তাই সরলমনা সাধারণ মুসলমানদের ঈমান রক্ষার্থে বহু-বিবাহ নিয়ে নাস্তিকদের অবান্তর প্রশ্নাবলীর সমোচিত জবাব দিতে হবে৷

No comments